নামাজ না পড়ার শাস্তি | ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার গুনাহ

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]নামাজ না পড়ার শাস্তি[/box]

 

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ ৷ সুপ্রিয় পাঠক! আশা করছি ভাল ও সুস্থ আছেন ৷ নিরাপদে আছেন ৷ বরাবরের মত আজ আমরা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ ৷ নামাজ না পড়ার শাস্তি কি?

একজন মুসলিমের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবাদাত হচ্ছে নামাজ ৷ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বান্দাদের উপর ফরয করেছেন ৷ এই নামাজ যদি কেউ ছেড়ে দেয় সেক্ষেত্রে তার শাস্তি কি হবে? আমরা বক্ষ্যমাণ আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোকপাত করব ৷

নামাজ সর্বযুগেই ছিল ৷ তবে আদায়ের দিক থেকে পদ্ধতিগত পার্থক্য ছিল ৷ আগের যুগের লোকেরা নামাজ নষ্ট করার ফলে তাদের উপরে আজাব চলে এসেছিল ৷ সে কথা পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেছেন ৷ এবং তিনি জানিয়েছেন যারা নামাজ ধ্বংস করেছে এদের কে গাইয়ুন নামক জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন ৷

আরও পড়ুনঃ নারীদের ঈদের নামাজের বিধান

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]গাইয়ুন জাহান্নাম কেমন?[/box]

গাইয়ুন জাহান্নাম কেমন
গাইয়ুন জাহান্নাম কেমন

গাইয়ুন !
আপনি কি জানেন গাইয়ুন কি ?
ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন গাইয়ুন হল জাহান্নামের এক অত্যন্ত গভীর ও ভয়ংকর উপত্যকার নাম । কেন এই উপত্যকা এত ভয়ংকর এত জঘন্য ?

জাহান্নামে মানুষের আকার হবে অনেক বড় । বসা অবস্থায় এক জাহান্নামীর আকার হবে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ! তার চামড়া এবং মাংস হবে অত্যন্ত পুরু । তার দেহে থাকবে অনেক মাংস । জাহান্নামের আগুনে এই মাংস পুড়ে যখন হাড় বেরিয়ে যাবে তখন তা আবার মাংস দিয়ে পূর্ণ করে দেওয়া হবে । দুনিয়াতে আমরা দেখছি মানুষ আগুনে পুড়ে গেলে সেখানে পুঁজ জমে।
জাহান্নামের মানুষ বারবার আগুনে পুড়বে আর বারবার পুঁজ জমা হবে । সেই পুঁজ কোথায় গিয়ে জমা হবে জানেন ? তা জমা হবে জাহান্নামের গাইয়ুন উপত্যকায় । কারা থাকবে গাইয়ুনে ? যারা সময় মতো, সঠিকভাবে, নিখুত ভাবে সালাত আদায় করেনি !

গাই নামক জাহান্নাম সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

فَخَلَفَ مِنْۢ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ وَ اتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ فَسَوْفَ یَلْقَوْنَ غَیًّاۙ

তারপর এদের পর এমন নালায়েক লোকেরা এদের স্থলাভিষিক্ত হলো যারা নামায নষ্ট করলো এবং প্রবৃত্তির কামনার দাসত্ব করলো। তাই শীঘ্রই তারা গোমরাহীর পরিণামের মুখোমুখি হবে। [সূরা মারইয়াম: ৫৯]

এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, এসকল নাবীদের যুগ অতীত হওয়ার পর এক সম্প্রদায় আসল যারা সৎ কাজের পরিবর্তে অসৎ কাজ করত। সালাত আদায় করত না এবং প্রবৃত্তির পূজা করত। তাদের জন্য রয়েছে মন্দ পরিণাম।

সালাত নষ্ট করার অর্থ সালাতকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করা, অথবা সালাতে আহকাম-আরকান যথাযথভাবে আদায় না করা অথবা সালাত যথাসময়ে আদায় না করা।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

(فَوَیْلٌ لِّلْمُصَلِّیْنَﭓﺫالَّذِیْنَ ھُمْ عَنْ صَلَاتِھِمْ سَاھُوْنَﭔﺫالَّذِیْنَ ھُمْ یُرَا۬ءُوْنَﭕﺫ)

“সুতরাং দুর্ভোগ সেসব মুসল্লীদের জন্য। যারা নিজেদের সালাতের ব্যাপারে উদাসীন থাকে। তারা যাবতীয় কাজ-কর্ম শুধু মানুষ দেখানোর জন্যই করে।” [সূরা মাউন ১০৭:৪-৭]

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল কোন্ আমল উত্তম? তিনি বললেন:

الصَّلَاةُ لِأَوَّلِ وَقْتِهَا

সালাত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা। [তিরমিয়ী হা: ১৭০, সহীহ]

বেনামাজির আরো একটি ভয়াবহ জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে ৷ যেখানে কঠিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে ভোগ করতে হবে ৷ সেটার নাম সাকার ৷

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]সাকার নামক জাহান্নাম কেমন?[/box]

সাকার জাহান্নাম কেমন
সাকার জাহান্নাম কেমন

সাকার ! আপনি কি জানেন সাকার কি ?
সাকার হল জাহান্নামের আরেকটি জঘন্য উপত্যকার নাম । সাকার হলো তাদের অবস্থান যারা দুনিয়াতে সালাত আদায় করবে না ।
সাকারবাসীদের সম্পর্কে আল্লাহ সুবাহানা হু ওতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন,
‘আমি দাখিল করব সাকারে । তুমি কি জানো সে সাকার কি ? যা জীবীতও রাখবে না আবার একেবারে মৃত করেও ছাড়বে না । গায়ের চামড়া ঝলসিয়ে দেবে । সেখানে নিয়োজিত আছে ১৯ জন ফেরেস্তা ।‌’ [সূরা মুদ্দাসসির : ২৬-৩০]

مَا سَلَکَکُمۡ فِیۡ سَقَرَ ﴿۴۲﴾ قَالُوۡا لَمۡ نَکُ مِنَ الۡمُصَلِّیۡنَ ﴿ۙ۴۳﴾
কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাল? তারা বলবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’। [সূরা মুদ্দাসসির: ৪২-৪৩]

নামাজ ছেড়ে দেয়া লোক গুলো আরো একটি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে ৷ এবং শাস্তি ভোগ করবে ৷ সেটির নাম ওয়াইল ৷

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]ওয়াইল জাহান্নাম কেমন?[/box]

ওয়াইল জাহান্নাম কেমন?
ওয়াইল জাহান্নাম কেমন?

ওয়াইল ! আপনি কি জানেন ওয়াইল কি ?
ওয়াল জাহান্নামের আরেকটি ভয়ানক উপত্যকা । পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘অতএব ওয়াইল সেসব সালাত আদায়কারীর জন্য যারা তাদের সালাত সম্পর্কে বেখবর । [সূরা মাউন : ০৪-০৫]

সাহাবীদের মতে ওয়াইল এমন একটি জায়গা যেখানে জাহান্নামীদের সাপ আর জীবজন্তুরা খেয়ে ফেলবে । তারপর তাদের দেহ পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসবে । পুনরায় সাপ আর জীবজন্তুরা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে । পুনরায় দেহ ফিরে পাবে । এ চলতেই থাকবে ।

ওয়াইল সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহুওতায়ালা আরও বলেছেন,
যখন তাদেরকে বলা হবে নত হও তখন তারা নত হয় না । সেদিন মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য ওয়াইল হবে ।
[মুরসালাত : ৪৮-৪৯]

আর যারা ছাড়া সালাত আদায় করে না, কারা হবে আখেরাতে তার বন্ধু ?
‘আর কেয়ামতের দিন সে ফেরাউন, হামান, কারুণ আর উবাই ইবন খালফদের সঙ্গে থাকবে । [ইবনে হিব্বান :১৪৬৭]

ফেরাউন আর সহচর হামান আর কারুণ কে তো অনেকেই জানেন । অনেকেই জানিনা উবাই ইবন খালফ কে । এ এমন এক জঘন্য ব্যক্তি যাকে দয়ার নবী নিজেই হত্যা করেছেন। এই পাপাচারীকে ছাড়া নবীজি আর কাউকে নিজ হাতে হত্যা করেননি ।

গাইয়ুন ! সাকার ! ওয়াইল হবে বাসস্থান ।
আর বন্ধু হবে ফেরাউন, হামান, কারুণ‌ আর উবাই ইবন খালফ !
নামাজ না পড়া আর নামাজ সঠিকভাবে না পড়ার পরিণতি ।
আল্লাহ আমাকে এবং আমাদেরকে এ আজাব থেকে হেফাজত করুন ।

আমরা অনেকেই ভাবি সব পাপ ছেড়ে বদলে গিয়ে নামাজ ধরবো ।
প্রিয় ভাই আপনি যে অবস্থাই আছেন, যত পাপই করেন, নামাজ ছাড়বেন না ।
বদলে গিয়ে নামাজ ধরা হয় না, বরং নামাজই একদিন আপনাকে বদলে দিবে ।

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]নামাজ ছেড়ে দিলে কাফের হয় কি?[/box]

নামাজ ছেড়ে দিলে কাফের হয় কি?
নামাজ ছেড়ে দিলে কাফের হয় কি?

আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কোনো ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজ না পড়া। যে নামাজ ছেড়ে দিল সে কাফের হয়ে গেল (কাফেরের মতো কাজ করল)।’ [সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮২]

قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلاَةُ فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ ‏”‏

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত :

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মধ্যে (মুক্তির) যে প্রতিশ্রুতি আছে তা হল নামায। সুতরাং যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, সে কুফ্‌রী কাজ করে।

[সহীহঃ ইবনু মা-জাহ ১০৭৯]

অন্য হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমাদের ও কাফেরদের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজের। যে নামাজ ত্যাগ করল সে কাফের হয়ে গেল।’ [তিরমিজি, হাদিস : ২৬২১]

এছাড়াও ইসলামের চতুর্থ খলিফা আলি (রা.) বলেন, ‘যে নামাজ পড়ে না সে কাফের।’ [বায়হাকি, হাদিস : ৬২৯১]

আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) বলেন, ‘যে নামাজ পড়ে না সে মুসলমান নয়।’ [বায়হাকি, হাদিস : ৬২৯১]

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার গুনাহ[/box]

নামাজ না পড়ার শাস্তি | ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার গুনাহ
নামাজ না পড়ার শাস্তি | ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার গুনাহ

আল্লাহর রাসুল (সা.) সকালে ফজরের নামাজের পর সাহাবিদের নিয়ে রাতের স্বপ্ন নিয়ে কথা বলতেন। কোনো সাহাবি স্বপ্ন দেখলে সেটা শোনাতেন। আল্লাহর রাসুলও (সা.) রাতে বিশেষ স্বপ্ন দেখলে সাহাবিদের শোনাতেন। এক দিন সকালে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আজ রাতে আমার কাছে দুজন আগন্তুক এসেছিল। তারা আমাকে বলল, আমাদের সঙ্গে চলুন। আমি তাদের সঙ্গে গেলাম। আমরা এমন এক লোকের কাছে পৌঁছলাম, যে চিত হয়ে শুয়েছিল। অন্য এক ব্যক্তি পাথর নিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

সে পাথর দিয়ে শুয়ে থাকা ব্যক্তির মাথায় আঘাত করছে এবং থেঁতলে দিচ্ছে। যখন সে পাথর নিক্ষেপ করছে তা গড়িয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। লোকটি গিয়ে পাথরটি পুনরায় তুলে নিচ্ছে এবং তা নিয়ে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই লোকটির মাথা পুনরায় পূর্বের মতো ভালো হয়ে যাচ্ছে। সে আবার লোকটির কাছে ফিরে আসছে এবং তাকে পূর্বের মতো শাস্তি দিচ্ছে। আমি আমার সঙ্গী দুজনকে জিজ্ঞাস করলাম- সুবহানাল্লাহ! এরা কারা? তারা জবাবে বলেন, এ ব্যক্তি ফরজ নামাজ না পড়েই ঘুমিয়ে যেত।’ [রিয়াদুস সালেহিন : ১৫৪৬]

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]বেনামাজীর দুনিয়াবী শাস্তি[/box]

পরকালে তো এমন কঠিন আজাব অপেক্ষা করছে, দুনিয়াতেও নামাজ না পড়ার কারণে ৬টি আজাবের সম্মুখীন হতে হবে-

  • ১. জীবনের বরকত উঠিয়ে নেওয়া হবে।
  • ২. চেহারা থেকে নূর ও জ্যোতি উঠিয়ে নেওয়া হবে।
  • ৩. ভালো কাজ করলে তার সুফল ভোগ করতে পারবে না।
  • ৪. দোয়া করলে আল্লাহ কবুল করবেন না।
  • ৫. আল্লাহ ও ফেরেশতা অসন্তুষ্ট থাকবেন, ফলে মানসিক অস্থিরতা বিরাজ করবে।
  • ৬. ইসলামের শান্তি ও প্রতিশ্রুতি থেকে বঞ্চিত হবে। [শারহুল আকিদাতুত তাহাবি : ২৬৮]

[box type=”shadow” align=”” class=”” width=””]এক ওয়াক্ত নামাজ না পড়লে দুই কোটি বছর জাহান্নামে থাকবে কি?[/box]

এক ওয়াক্ত ছালাত ছুটে গেলে এক হুকবা বা দুই কোটি অষ্টাশি লক্ষ বছর জাহান্নামে শাস্তি দেওয়া হবে :
قَالَ النَّبِىُّ  مَنَ تَرَكَ صَلاَةً حَتىَّ مَضَى وَقْتُهَا ثُمَّ قَضَى عُذِّبَ فِى النَّارِ حُقْبًا وَالْحُقْبُ ثَمَانُوْنَ سَنَةً كُلُّ سَنَةٍ ثَلاَثمائة وَسِتُّوْنَ يَوْمًا كُلُّ يَوْمٍ اَلْفُ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّوْنَ.

নবী (সা:) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি এক ওয়াক্ত সালাত ছেড়ে দেয় আর ইতোমধ্যে ঐ সালাতের ওয়াক্ত পার হয়ে যায় এবং সালাত আদায় করে নেয়, তবুও তাকে এক হুকবা জাহান্নামে শাস্তি দেওয়া হবে। এক হুকবা হল, ৮০ বছর। আর প্রত্যেক বছর ৩৬০ তিন। আর প্রত্যেক দিন এক হাযার বছরের সমান, যেভাবে তোমরা গণনা কর। উল্লেখ্য, উক্ত হিসাব অনুযায়ী সর্বমোট দুই কোটি অষ্টাশি লক্ষ বছর হয় ৷

বর্ণনাটি মিথ্যা ও বানোয়াট। উক্ত বক্তব্য ফাযায়েলে আমল-এর ফাযায়েলে নামায অংশে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোন প্রমাণ পেশ করা হয়নি। বরং বলা হয়েছে, كَذَا فِىْ مَجَالِسِ الْأَبْرَارِ قُلْتُ لَمْ أَجِدْهُ فِيْمَا عِنْدِىْ مِنْ كُتُبِ الْحَدِيْثِ ‘এভাবেই ‘মাজালিসুল আবরারে’ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আমার নিকটে হাদীছের যে সমস্ত গ্রন্থ রয়েছে, তার মধ্যে আমি উহা পাইনি’।

লেখক নিজেই যেহেতু স্বীকার করেছেন, সেহেতু আর মন্তব্যের প্রয়োজন নেই। তবে দুঃখজনক হল, স্পষ্ট হওয়ার পর কেন তা রাসূল (সা:)-এর নামে বর্ণনা করতে হবে? এটা নিঃসন্দেহে তাঁর নামে মিথ্যাচারের শামিল।

জ্ঞাতব্য বিষয়: সহীহ হাদীসের দৃষ্টিকোণ থেকেও কথাটি সঠিক নয়। কারণ রাসূল (সা:) বলেন, ঘুম বা ভুলের কারণে যে ব্যক্তির সালাত ছুটে যাবে, তার কাফ্ফারা হল যখন স্মরণ হবে তখন তা পড়ে নেয়া’।

এছাড়া রাসূল (সা:) এবং সাহাবায়ে কেরাম খন্দকের যুদ্ধের দিন সূর্য ডুবার পর আছরের সালাত আদায় করেন। অতঃপর মাগরিবের ছালাত আদায় করেন। তাছাড়া ফজর ছালাতও একদিন তাঁরা সূর্যের তাপ বাড়ার পরে পড়েছেন। তাহলে তাঁদের শাস্তি কত বছর হবে? (নাঊযুবিল্লাহ)।

শেষ কথা

সুপ্রিয় পাঠক! আমাদের আর্টিকেলগুলো ভালো লাগলে কমেন্ট ও শেয়ার করে হাজারো মানুষের কাছে তা পৌঁছে দিতে পারেন ৷ আপনার কোন মন্তব্য বা পরামর্শ থাকলে তাও জানাতে পারেন ৷ নিচের কমেন্ট বক্সে লিখতে পারেন নির্দ্বিধায় ৷ আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন ৷ জাযাকাল্লাহ খাইরান ৷

7 thoughts on “নামাজ না পড়ার শাস্তি | ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার গুনাহ

  1. Today, I went to the beachfront with my kids.
    I found a sea shell and gave it to my 4 year old daughter and said “You can hear the ocean if you put this to your ear.” She put the shell to her ear and
    screamed. There was a hermit crab inside and it pinched
    her ear. She never wants to go back! LoL I know this is entirely off topic but I
    had to tell someone!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *